Megestol – Megestrol Acetate

Home / Megestol – Megestrol Acetate

Megestol

200 mg/5 ml Oral Suspension
AI Summary Generated by AI for informational purposes only

এই ওষুধটি একটি হরমোন যা ক্যান্সার বা এইডসের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্তদের ক্ষুধা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। এটি নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সারের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা হয়। গর্ভাবস্থায় বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি ব্যবহার করা যাবে না।

নির্দেশনা

মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেট স্তন বা এন্ডোমেট্রিয়ামের উন্নত কারসিনোমার উপশমকারী চিকিৎসার (যেমন: অকার্যকর, বা মেটাস্ট্যাটিক রোগ) জন্য নির্দেশিত। সার্জারি, রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির মতো গৃহীত পদ্ধতির পরিবর্তে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

ফার্মাকোলজি

মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেট একটি সিন্থেটিক, অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক এবং প্রজেস্টেশনাল ড্রাগ। এন্ডোমেট্রিয়াল কারসিনোমার বিরুদ্ধে মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেটের অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক ক্রিয়া কিভাবে প্রদর্শন করে তা এখনো অজানা, তবে পিটুইটারি গোনাডোট্রপিন উৎপাদনে বাধা এবং ফলস্বরূপ ইস্ট্রোজেন নিঃসরণ হ্রাস কারণ হতে পারে। অন্যান্য স্টেরয়েড হরমোনের ক্রিয়া পরিবর্তন এবং সরাসরি টিউমার কোষগুলোতে সাইটোটক্সিক ক্রিয়া প্রয়োগ স্তনের কারসিনোমার উপর মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেটের অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক ক্রিয়াকে ব্যাহত করে। মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সারে, কিছু কিছু টিস্যুতে হরমোন রিসেপ্টর উপস্থিত থাকতে পারে তবে সবগুলোতে নয়। রিসেপ্টরের কার্যপ্রণালী একটি চক্রাকার প্রক্রিয়া যেখানে ডিম্বাশয় দ্বারা উৎপাদিত ইস্ট্রোজেন টার্গেট কোষে প্রবেশ করে সাইটোপ্লাজমিক রিসেপ্টরের সাথে একটি কমপ্লেক্স গঠন করে কোষের নিউক্লিয়াসে পরিবাহিত হয়। এটি সেখানে জীন ট্রান্সক্রিপশনকে প্রণোদিত করে এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলীকে রদবদল করে। মেজেস্ট্রেল অ্যাসিটেটের ফার্মাকোলজিক ডোজ শুধুমাত্র হরমোন-নির্ভর স্তন ক্যান্সার কোষের সংখ্যাই কমায় না বরং এই কোষগুলোতে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবগুলোকে সংশোধন ও বিলুপ্ত করতেও সক্ষম।
 
মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেটের প্লাজমা লেভেল ব্যবহৃত পরিমাপ পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। ১৬০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটের একক ডোজ মুখে গ্রহণের ২ থেকে ৩ ঘন্টা পরে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্ব পাওয়া যায়। মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেটের প্লাজমা অর্ধায়ু ৩৩ থেকে ৩৮ ঘন্টা। ওষুধের মাত্রা আনুমানিক ৬৬% প্রস্রাবের মাধ্যমে এবং ২০% মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Important:
Do not take any medication without a doctor's prescription. Self-medication can be dangerous.
স্তন ক্যান্সার: প্রতিদিন ১৬০ মি.গ্রা.।
এন্ডোমেট্রিয়াল কারসিনোমা: প্রতিদিন বিভক্ত মাত্রায় ৪০-৩২০ মি.গ্রা।

মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেট-এর কার্যকারিতা নির্ধারণের জন্য কমপক্ষে ২ মাস অবিরাম চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ওষুধের সাথে: একই সাথে মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেট ও অন্যান্য ওষুধ গ্রহণে সম্ভাব্য কোন মিথস্ক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।

খাদ্য এবং অন্যান্যের সাথে: ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টোজেন শরীরে তরল ধারণ করতে পারে, বিশেষ করে যখন উচ্চ মাত্রায় বা দীর্ঘ সময়ের জন্য দেওয়া হয়। যে সকল রোগীদের অতিরিক্ত তরল জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এমন ধরনের ওষুধের সাথে থেরাপি সতর্কতার সাথে পরিচালনা করা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

  • মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেট বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতার ইতিহাস।
  • নিশ্চিত বা সন্দেহজনক গর্ভাবস্থা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

স্তন অথবা এন্ডোমেট্রিয়ামের ক্যান্সারে আক্রান্ত এরকম রোগীদের মেজেস্ট্রল এসিটেইট দিয়ে চিকিৎসা করলে ওজনে বৃদ্ধি ঘটে যেটি অন্যতম একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষুধা ও বৃদ্ধি পায়। আর এই প্রতিক্রিয়ার কারণেই যেসব রোগীদের অ্যানারেক্সিয়া, ক্যাচেক্সিয়া এবং ওজন হ্রাস পায় তাদের মেজেস্ট্রল এসিটেইট দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি চর্বি এবং শরীরের কোষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।

মেজেস্ট্রল এসিটেইট নিয়েছে এরকম রোগীদের যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়, সেগুলোর মধ্যে বমি, বমি বমিভাব, এডেমা এবং ১-২% রোগীদের ক্ষেত্রে জরায়ুতে রক্তক্ষরণ দেখা যায়। পুরুষ স্তনের আকার বৃদ্ধি এবং শ্রবণক্ষমতা হ্রাসও পেতে পারে। ডিসপনিয়া, হার্ট ফেইলার, উচ্চরক্তচাপ, হট ফ্ল্যাশ, মুড চেঞ্জ, কুশিংওয়েড ফেইশ, টিউমার ফ্লেয়ার, হাইপারগ্লাইসেমিয়া, চুলপড়া, কারপাল টানেল সিনড্রম এবং র‍্যাশও হতে পারে।

থ্রম্বোফ্লেবাইটিস এবং পালমোনারী এমবোলিসম এর মতো থ্রম্বোএম্বলিক ঘটনাও ব্যবহারকারীদের মধ্যে পাওয়া গেছে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে মেজেস্ট্রল এর ব্যবহার অনুমোদিত না। কিছু রির্পোটে দেখা গেছে যে, প্রোজেস্টেশোনাল ওষুধ গুলো গর্ভাবস্থার প্রথম সপ্তাহে জরায়ুতে যায় এবং পুরুষ ও নারী ভূনের যৌনতন্ত্রের গঠন অস্বাভাবিক করে। নারী ভূনের জন্য মেজেস্ট্রল কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ সেই ব্যাপারে এখনো পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায় নাই। যদি ও কিছু গবেষনায় দেখা গেছে, এই গ্রুপের কিছু ওষুধ নারী ভ্রুনের বাহ্যিক যৌনাঙ্গে মৃদু ভিরিলাইজেশন করে থাকে। কোন মহিলা গর্ভবতী হবার ৪ মাসের মধ্যে যদি মেজেস্ট্রল এসিটেইট নেন অথবা সে যদি মেজেস্ট্রল নেওয়ার সময় গর্ভবতী হয়ে পড়েন, তাহলে তাকে ভূনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিতে হবে। সন্তান বহনে সক্ষম অথচ মেজেস্ট্রল সেবণ করছেন এরকম মহিলাদের গর্ভবতী না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিতে হবে। স্তন্যদানকালীন এর সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্য মেজেস্ট্রল দিয়ে চিকিৎসাধীন সময়ে স্তন্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

সতর্কতা

যেসব রোগীদের থ্রম্বোফ্লেবাইটিস এর হিস্ট্রি আছে এবং যাদের যকৃতের কার্যক্ষমতা খুব কম তাদের মেজোক্সিয়া দেয়ার ক্ষেত্রে সর্তকতা গ্রহণ করা উচিত।

শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে এই ওষুধটি ব্যবহার করতে হবে এবং রোগীকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই ওষুধ ব্যবহারের ফলে অ্যাড্রেনোকটিকাল এফেক্ট দেখা যেতে পারে, যেটি রোগীর নিয়মিত পর্যবেক্ষনের সময় বিবেচনা করতে হবে।

যেসব রোগীদের বিরল জন্মগত গ্যাল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স, ল্যাপল্যাক্টোজ ডিফিসিয়েন্সি অথবা গ্লুকোজ গ্যাল্যাক্টোজ ম্যালঅ্যাবজরপসন আছে তাদের এই ওষুধ নেওয়া উচিত নয়।

৬৫ বছর বয়স্ক অথবা এর বেশী এমন রোগীদের ক্ষেত্রে মেজেস্ট্রল এসিটেইট এর কার্যকারীতা তরুন রোগীদের মতোই কিনা, এ ব্যাপারে পর্যান্ত পরিমাণ তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যান্য ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তরুন এবং বয়স্ক রোগীদের কার্যকারীতার কোন তারতম্য পরিলক্ষিত হয়নি। যেসব বয়স্ক রোগীদের যকৃতের, বৃক্কের এবং হৃদযন্ত্রের কার্যকারীতা খুব কম এবং যারা অন্যান্য অসুখে আক্রান্ত বা অন্যান্য ওষুধ নিচ্ছেন, সেসব রোগীদের ক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। মেজেস্ট্রল এসিটেইট সাধারণত বৃক্ক দিয়ে নিঃসৃত হয় তাই যেসব রোগীদের বৃক্কীয় কার্যকারীতা কম, তাদের ক্ষেত্রে টক্সিক রিঅ্যাকশনের পরিমানটা বেশী হতে পারে। কারণ বয়স্ক রোগীদের বৃক্কীয় কার্যক্ষমতা সাধারণত কমে যায় তাই মেজেস্ট্রল এসিটেইট দিয়ে চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে বৃক্কীয় কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষন করা প্রয়োজনীয়।

বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন ব্যবহার: শিশু রোগীদের নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: অল্পবয়সী রোগীদের তুলনায় ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগীরা ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় কিনা তা মেজেস্ট্রল অ্যাসিটেটের অপর্যাপ্ত ক্লিনিকাল স্টাডি থেকে জানা যায়নি।

মাত্রাধিক্যতা

গবেষনায় দেখা গেছে ৬ মাস এবং তার অধিক সময় ধরে প্রতিদিন ১৬০০ মিগ্রা পর্যন্ত মেজেস্ট্রল এসিটেইট নেওয়াতে কোন তাৎক্ষনিক/ একিউট বিষক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মার্কেটিং পরবর্তী অতিমাত্রা জনিত রিপোর্টও নেওয়া হয়েছে। যেসব লক্ষন দেখা গেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ডায়রিয়া, বমি বমিভাব, তলপেট ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, কফ, হাটাচলায় অসুবিধা, দূর্বলতা এবং বুকে ব্যাথা। মেজেস্ট্রল এসিটেইটের অতিমাত্রার জন্য কোন অ্যান্টিডট নেই। অতিমাত্রার ক্ষেত্রে যথোপযোগী ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংরক্ষণ

আলো থেকে দূরে, শুষ্ক ও ঠান্ডা (৩০°সেঃ তাপমাত্রার নিচে) স্থানে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাহিরে রাখুন।

The information provided on this page is for educational purposes only and is not a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. Always consult a qualified healthcare professional before starting, stopping, or changing any medication. All brands listed might have copyright or trademark of their respective owners. Listed information may not be up-to-date or accurate. We do not guarantee the availability, quality, price or safety of any medication. Use at your own risk.