প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে:
- প্রারম্ভিক মাত্রা: ২৫-৫০ মাইক্রোগ্রাম প্রতিদিন। ৬-৮ সপ্তাহের ব্যবধানে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা বাড়াতে হবে। প্রাইমারী হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগী ইউথাইরয়েড অবস্থায় আসা পর্যন্ত এবং রক্তে টিএএসএইচ এর পরিমান স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত লিভোথাইরক্সিন সোডিয়ামের মাত্র ১২.৫-২৫ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত বাড়ানো যায়।
- মারাত্মক হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগীর ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক মাত্রা: ১২.৫-২৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতিদিন। রক্তে টিএসএইচ এর পরিমান স্বাভাবিক হওয়া পযন্ত প্রতি ২-৪ সপ্তাহ পর পর দৈনিক ২৫ মাইক্রোগ্রাম হারে মাত্রা বাড়াতে হবে।
- সেকেন্ডারী (পিটুইটারী) অথবা টারসিয়ারী (হাইপোথ্যালাাামিক) হাইপোথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে: রোগী ইউথাইরয়েড অবস্থায় আসা পর্যন্ত এবং রক্তে ফ্রি টি৪- এর পরিমান পূর্বের স্বাভাবিক সীমায় আনা পর্যন্ত লিভোথাইরক্সিন সোডিয়ামের মাত্রা সমন্বয় করতে হবে।
- ৫০ বছরের অধিক বয়স্ক রোগী অথবা হৃদরোগীর ক্ষেত্রে: দৈনিক ১.৭ মাইক্রোগ্রাম প্রতি কেজি ওজন হিসেবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে (নবজাতক): অনুমোদিত প্রারম্ভিক মাত্রা দৈনিক ১০-১৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতি কেজি হিসেবে। কার্ডিয়াক ফেইলরের ঝুঁকি আছে এমন শিশুর ক্ষেত্রে কম মাত্রায় ওষুধ শুরু করতে হবে। চিকিৎসা এবং ল্যাবরেটরী পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তীতে ৪-৬ সপ্তাহের মধ্যে মাত্রা বাড়াতে হবে। রক্তে টি
৪ এর ঘনত্ব খুব কম (<৫ মাইক্রোগ্রাম/ডেসিলিটার) বা নিরুপনের অযোগ্য হলে লিভোথাইরক্সিনের প্রারম্ভিক মাত্রা হবে দৈনিক ৫০ মাইক্রোগ্রাম।
সাধারণভাবে শিশুদের ক্ষেত্রে: দীর্ঘস্থায়ী বা মারাত্মক হাইপোথাইরয়েডিজমের শিশুদের জন্য প্রারম্ভিক মাত্রা দৈনিক ২৫ মাইক্রোগ্রাম। প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি ২-৪ সপ্তাহ পরপর ২৫ মাইক্রোগ্রাম হারে বাড়াতে হবে। বড় শিশুদের হাইপারএ্যাকটিভিটির উপসর্গ কমানোর জন্য স্বাভাবিক মাত্রার এক চতুর্থাংশ হিসেবে শুরু করতে হবে। পরবর্তীতে স্বাভাবিক পূর্ণ মাত্রা আসা পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে স্বাভাবিক মাত্রার এক চতুর্থাংশ হিসেবে মাত্রা বাড়াতে হবে। প্রতি কেজি ওজন হিসেবে দৈনিক মাত্রা-
- ০-৩ মাস: দৈনিক ১০-১৫ মাইক্রোগ্রাম/কেজি
- ৩-৬ মাস: দৈনিক ৮-১০ মাইক্রেগ্রাম/কেজি
- ৬-১২ মাস: দৈনিক ৬-৮ মাইক্রোগ্রাম/কেজি
- ১-৫ বছর: দৈনিক ৫-৬ মাইক্রোগ্রাম/কেজি
- ৬-১২ বছর: দৈনিক ৪-৫ মাইক্রোগ্রাম/কেজি
- >১২ বছর কিন্তু অসম্পুর্ন বৃদ্ধি ও বয়ঃসন্ধি: দৈনিক ২-৩ মাইক্রোগ্রাম/কেজি
- পরিপূর্ণ বৃদ্ধি ও বয়সন্ধি: দৈনিক ১.৭ মাইক্রোগ্রাম/ কেজি
রোগীর শারীরিক অবস্থা ও ল্যাবরেটরী পরীক্ষার পরিমাপ অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করতে হবে।