বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্কদের ক্ষেত্রে কিডনীর কার্যকারিতা হ্রাসের সম্ভাবনা থাকায় কিডনীর কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে মেটফরমিনের মাত্রা সমন্বয় করা উচিত। সেক্ষেত্রে নিয়মিত কিডনীর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে মেটফরমিন দিয়ে চিকিৎসা শুরুর পূর্বে রোগ নির্নয় করে নিশ্চিত হতে হবে যে, রোগীর টাইপ-২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস রয়েছে।
এক বছর ধরে করা নিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং বয়:সন্ধি কালীন বৃদ্ধির উপর মেটফরমিনের কোন প্রভাব পাওয়া যায়নি এবং এই সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দীর্ঘমেয়াদী কোন তথ্য নেই। তাই এসব বিষয়ের উপর মেটফরমিন দ্বারা চিকিৎসাধীন শিশুদের বিশেষভাবে বয়:সন্ধি পূর্ববর্তী শিশুদের উপর মেটফরমিনের প্রভাবের একটি নিবিড় পর্যবেক্ষণ নির্দেশিত।
১০ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে: ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ওষুধটির ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন নির্দেশিত।
কিডনীর কার্যকারিতার উপর প্রভাব: যেহেতু মেটফরমিন কিডনী দ্বারা নিঃসৃত হয় তাই চিকিৎসা শুরুর পূর্বেই ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স (ককক্রফট-গল্ট সূত্র ব্যবহার করে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের পরিমান থেকে এটি নির্ধারণ করা যাবে) নির্ধারণ করতে হবে এবং তারপর-
- যেসব রোগীর কিডনীর কার্যকারিতা স্বাভাবিক রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বছরে কমপক্ষে একবার ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
- বয়স্ক রোগী এবং যেসব রোগীর ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স মান স্বাভাবিকের নিম্নতম মাত্রায় রয়েছে তাদের বছরে কমপক্ষে দুই থেকে চার বার ক্লিয়ারেন্স পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
বয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে: কিডনীর কার্যকারিতা হ্রাসের ঘটনা প্রায়শই ঘটে এবং তা উপসর্গবিহীন হয়। কিডনীর কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন বিষয় যেমন প্রারম্ভিক ভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ অথবা মুত্রবর্ধক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করার সময় এবং ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা শুরুর সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
চিকিৎসা শুরুর পূর্বে এবং পরবর্তীর্তে নিয়মিতভাবে জিএফআর পরিমাপ করা উচিৎ। জিএফআর <৩০ মিলি/মিনিট রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে মেটফরমিন নিষিদ্ধ এবং কিডনীর কার্যকারিতা পরিবর্তন হয় এমন অবস্থার উপস্থিতিতে মেটফরমিন সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা উচিৎ।